বিশেষ প্রতিবেদক: ২৮ শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫ শুক্রবার বিকেল তিনটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়
কবি সংসদ বাংলাদেশ আয়োজিত ১১ তম জাতীয় কবি সম্মেলন।
প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক কবি ও ছড়াকার তৌহিদুল ইসলাম কনক স্বাগত বক্তব্য রাখেন।
স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এবং উদযাপন কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ডক্টর মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম তামিজী সভাপতিত্ব করেন।
প্রধান অতিথি ছিলেন কবি সংসদ বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা কবি ইমরোজ সোহেল, উদ্বোধক ছিলেন কবি রাজু আলীম। প্রধান আলোচক ছিলেন লায়ন মোহাম্মদ গনি মিয়া বাবুল, বিশেষ অতিথি ছিলেন আশির দশকের অন্যতম কবি মুস্তফা হাবীব, অধ্যাপক রেনু আহমেদ ,দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার সম্পাদক প্রকাশক কবি ও সাংবাদিক অশোকধর , ঢাকা মহানগর শাখার সভাপতি কবি অ্যাডভোকেট শেখ আব্দুল হক চাষী,মানবতাবাদী কবি ডক্টর শঙ্কর তালুকদার,কবি ইউসুফ রেজা, কবি ইমরান পরশ, কবি মালেক মাহমুদ। লায়ন খান আক্তারুজ্জামান। জাতীয় কবি সম্মেলন সম্মাননা ২০২৫ যারা পেলেন তারা হলেন ডঃ শঙ্কর তালুকদার,কবি জাহানারা তোফায়েল, কবি শাখাওয়াত হোসেন খান, কবি সুবর্ণা দাস, কবি ইলা বিশ্বাস, কবি নিত্যানন্দ বিশ্বাস, কবি সুজিত কুমার পাল, কবি সাবেকুন নাহার কমল, কবি ওসমান গনি, কবি ডালিম কুমার, কবি হৈমন্তী শুকলা ওঝা,কবি জহুরুল ইসলাম বাদল কবিতা পাঠ করেন ঢাকা থেকে কবি রওশন আরা, কবিওয়ালি জসিম, কবি রোলি আক্তার,
কবি বাপ্পি সাহা, কবি মিষ্টি মিনা, কবি শারমিন সুলতানা,কবি সেতু পারভেজ, কবি লিটন সিদ্দিকী খুলনা থেকে এলা বিশ্বাস, লক্ষ্মীপুর থেকে মুস্তাফিজুর রহমান, দিনাজপুর থেকে ডালিম কুমার, বাগেরহাট থেকে সাফায়াত হোসেন খান, খুলনা থেকে আব্দুর রাজ্জাক মদিনা বাদী, মেহেরপুর থেকে কবি মহিবুল ইসলাম, কবি সংসদ বাংলাদেশ লন্ডন শাখা থেকে এসেছেন লন্ডন শাখার সভাপতি কবি সামনা নাহার বেলা, লন্ডন থেকে কবি জাকির হোসেন, ঢাকা থেকে কবিব রানু গাজী, ঢাকা থেকে কবি প্রস পারিনা সরকার, ময়মনসিংহ থেকে কবি-ছড়াকার সফিউল্লাহ আনসারী, কবি এরশাদ আহমেদ, সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী সোহাগ আলী, কণ্ঠশিল্পী ববি, কণ্ঠশিল্পী তানিয়া, কণ্ঠশিল্পী বৃষ্টি,কণ্ঠশিল্পী রবিন খান, কণ্ঠশিল্পী সোহেল,এনজিও কোচিকাঁচার মেলা সেগুনবাগিচায় অনুষ্ঠিত হয় ১১ তম জাতীয় কবি সম্মেলন।অতীতের বক্তব্যে কবিদের পক্ষে নানান দাবি তুলে ধরেন। লেখকদের ভাতা দাবি করেনসেই সাথে লেখকদের সেন্সর বোর্ড দরকার।প্রত্যেক লেখক এর নতুন বই প্রকাশিত হলে ২০০ কপি বই সরকার যাতে কিনি নেয় সেই দাবিটাও করা হয়। প্রকাশকরা লেখকদের বইয়ের সম্মানী পান্ডুলিপি গ্রহণ করার সময় প্রদান করতে হবে।যেকোনো লেখকের বই যেকোনো প্রকাশক প্রকাশ করলে তার সম্মানই এবং কপিরাইট লেখক কে বুঝিয়ে দিতে হবে।রাষ্ট্রীয় পুরস্কারের ক্ষেত্রে লেখকদের কে পুরস্কারের মূল্য ১ কোটি টাকা প্রদান করতে হবে।লেখকদের জন্য আলাদা কাগজ বই প্রকাশ করার জন্য বিশেষ দামে দিতে হবে। প্রত্যেক জেলা উপজেলায় সার্কিট হাউস গেস্ট হাউসে লেখকদের রাত্রিযাপনের সুব্যবস্থা থাকতে হবে।সারা দেশ থেকে আগত কবিদের কবিতার শব্দে ছন্দে মুখরিত হয়ে ওঠে সম্মেলন প্রাঙ্গণ। এই সম্মেলনে কবি সংসদ বাংলাদেশ মেহেরপুর জেলা শাখা কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কবি সংসদ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের
পরবর্তী চেয়ারম্যান কবি রাজু আলীম এর নাম ঘোষণা করা হয়। স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ডঃ মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম তামিজি, কবিদের নানান সুযোগ সুবিধার কথা তুলে ধরেন
সেই সাথে বাংলা একাডেমীর কাছে নানান দাবি
তুলে ধরেন। কবি সংসদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির পরবর্তী সভাপতি লায়ন মোহাম্মদ গুনি মিয়া বাবুলের নাম ঘোষণা করা হয়। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে কবি সংসদ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে। সেই সাথে এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে কবি সংসদ বাংলাদেশ ভবন ঢাকার আশেপাশে স্থায়ীভাবে প্রস্তাবিত হয়েছে।
কবিতার পাঠশালা আগামী ২৬ শে এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হবে। কবিতা কি কবিতা কেন কবিতার অলংকার কবিতার স্বরবৃত্ত অক্ষরবৃত্ত মাত্রাবৃত্ত এসব নিয়েও কবি সংসদ বাংলাদেশ পরবর্তীতে কবিতার পাঠশালাতে কার্যক্রম চালাবে।
প্রধান উপদেষ্টা কবি ইমরোজ সোহেল এর ৭১ তম জন্মদিনের আলোতে ৭২ তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কেটে পালন করা হয়। শুরুগেই কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সাইফুল ইসলাম মিরন, গীতা পাঠ করেন কবি সুবর্ণা দাস
কণ্ঠশিল্পী সোহাগ আলী নেতৃত্বে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। সেই সাথে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির যারা অনুপস্থিত ছিলেন তাদের নাম অব্যাহতি দেয়া হয়। আগামী এক বছর পর্যন্ত এই কমিটিতে তারা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারবে না। কারণ তারা কবি সংসদ কে ভালবাসে
না বলেই জাতীয় কবি সম্মেলনে অনুপস্থিত ছিল।সংগঠনকে ভালবাসলে কমিটির সকলে উপস্থিত থাকলে সম্মেলনের পরিপূর্ণতা পায়।
এবারের জাতীয় কবি সম্মেলনে সম্পূর্ণ নিবন্ধন ফ্রি ছিল। কবি যাতে ভালোভাবে কবিতা পাঠ করতে পারে এজন্য সকলকে কবিতার পাঠশালায় সাদর আমন্ত্রণ।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি


















