নয়া কাগজ
বুধবার , ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. আইন ও আদালত
  4. আর্ন্তজাতিক
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি, অর্থ ও বাণিজ্য
  8. ক্যাম্পাস
  9. গণমাধ্যম
  10. গ্ৰামের কাগজ
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম ও জীবন
  13. বিনোদন
  14. বিভাগীয় খবর
  15. ভাইরাল

ভালুকায় ‘অভ্যন্তরীণ অভিবাসী শ্রমিকদের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি উন্নয়নে নেটওয়ার্কিং মিটিং’ অনুষ্ঠিত

প্রতিবেদক
দৈনিক নয়া কাগজ
ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৫ ১:০৪ অপরাহ্ণ

  • ভালুকায় ‘অভ্যন্তরীণ অভিবাসী শ্রমিকদের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি উন্নয়নে নেটওয়ার্কিং মিটিং’ অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধিঃ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, সোমবার সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৩:০০টা পর্যন্ত ময়মনসিংহের ভালুকা পৌরসভা মিলনায়তনে অভ্যন্তরীণ অভিবাসী শ্রমিকদের আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি উন্নয়নে একটি নেটওয়ার্কিং মিটিং অনুষ্ঠিত হয়।বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অভিবাসী শ্রমিকদের শোভন কাজ ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা পিপলস কারেজ ইন্টারন্যাশনাল (পিসিআই)-এর সহায়তায় এবং “কর্মজীবী নারী”-এর বাস্তবায়নে এই মিটিং আয়োজন করা হয়।কর্মজীবী নারী সংগঠনের অতিরিক্ত নির্বাহী পরিচালক সানজিদা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে কর্মজীবী নারীর সাধারণ সম্পাদক শারমিন কবির,উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জাহিদা ফেরদৌসী,উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রুবেল মন্ডল, উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আশরাফুল আলম,উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ইলিয়াস কাঞ্চন,ভরাডোবা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শাকের হোসেন,বেসরকারী সংস্থা প্রশিকার এরিয়া ম্যানেজার রুহুল আমিন সহ ভরাডোবা ইউনিয়নের ১১ জন ইউপি সদস্য,কর্মজীবী নারী সংগঠনের ভালুকা উপজেলার কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।প্রকল্প সমন্বয়ক রাজিব আহমেদের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে কর্মজীবী নারীর বেশ ক’জন সুবিধাভোগী ও অন্যান্য উপস্থিতিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন হিসেবে কর্মজীবী নারী ১মে ১৯৯১ সাল থেকে নারী ও পুরুষের সমতা, নারী শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছে।এরই ধারাবাহিকতায়
গত ১ জুন,২০২৪ থেকে পিপলস কারেজ ইন্টারন্যাশনাল (পিসিআই)-এর সহায়তায় কর্মজীবী নারী দেশের অভ্যন্তরীণ অভিবাসী শ্রমিকদের শোভন কাজ ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণে কাজ শুরু করেছে।গ্রাম থেকে শহরে আগত অভ্যন্তরীণ শ্রমিকরা সরকারি পরিষেবা, সামাজিক সুরক্ষা স্কিম এবং অন্যান্য সুবিধার ব্যাপারে সঠিকভাবে অবগত না থাকায় তাদের জীবনের মান উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।তাই, কর্মজীবী নারী এই শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা নেটওয়ার্কের আওতায় আনার জন্য কাজ করছে।

প্রকল্প সমন্বয়ক রাজীব আহমেদ বলেন,”
বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ অভিবাসী শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রমে সুশীল সমাজ, মানবাধিকার সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের মধ্যে আলোচনা কম রয়েছে। কর্মজীবী নারী মনে করে, অভ্যন্তরীণ অভিবাসী শ্রমিকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য কাজ করা প্রয়োজন,যা তাদের আইনানুগ কাজের পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়তা করবে।কর্মজীবী নারী বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন হিসেবে নারী ও পুরুষের সমতা, নারী শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং তাদের উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছে।আজকের এই সভা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অভিবাসী শ্রমিকদের শোভন কাজ ও সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমরা বিশ্বাস করি সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা একটি শক্তিশালী এবং কার্যকর সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হব।”

প্রধান অতিথি হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন,”আমরা জনগণের সেবক হিসেবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি প্রকৃত সেবাগ্রহীতার দোরগোঁড়ায় সেবা পৌছে দিতে। সকল দূর্নীতি বন্ধ করে স্বচ্ছতার সহিত সেবাসমূহ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। এখানে সরকারি বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান সমন্বয় করে কাজ করতে পারলে সেবা গ্রহিতার সেবা পেতে সহজ হবে।এ বিষয়ে জনগণকেও সচেতন হতে হবে।”

বিশেষ অতিথি জাহিদা ফেরদৌসী বলেন,”আমাদের এলাকার সামাজিক সুরক্ষা সেবা চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ খুবই কম থাকায় সকল আবেদনকারীকে ভাতার আওতায় আনতে পারিনি।আমিও চাই প্রকৃতপক্ষে যাদের সেবা পাওয়ার কথা তারা যেন নির্ভয়ে সেবা পেতে পারে।এছাড়াও অনেক সেবার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে যা অধিকাংশ জনগণ জানেনা,যেমন মাতৃকল্যান সুবিধা নাম পরিবর্তন করে মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি,জয়িতা এর নাম পরিবর্তন করে করা হয়েছে অদম্য নারী নামকরণ করা হয়েছে।এর জন্য সেবাগ্রহীতার মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন,আমাদের পর্যাপ্ত জনবলের অভাবে অনেক সময় প্রয়োজন অনুসারে কাজ করতে পারিনা,এজন্য সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সমন্বয় করে কাজ করতে পারলে সাধারণ জনগণ উপকৃত হবে।”

উপস্থিত সকলে মতামত প্রদানপূর্বক কর্মজীবী নারীর কার্যক্রমসমূহকে সাধুবাদ জানান এবং ধারাবাহিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সর্বশেষ - বিভাগীয় খবর