নয়া কাগজ
মঙ্গলবার , ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫ | ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অন্যান্য
  2. অপরাধ
  3. আইন ও আদালত
  4. আর্ন্তজাতিক
  5. উপসম্পাদকীয়
  6. এক্সক্লুসিভ
  7. কৃষি, অর্থ ও বাণিজ্য
  8. ক্যাম্পাস
  9. গণমাধ্যম
  10. গ্ৰামের কাগজ
  11. জাতীয়
  12. ধর্ম ও জীবন
  13. বিনোদন
  14. বিভাগীয় খবর
  15. ভাইরাল

সরকারি বনভূমি ব্যক্তির নামে ডিমার্গেশন দিতে মরিয়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা

প্রতিবেদক
দৈনিক নয়া কাগজ
সেপ্টেম্বর ২, ২০২৫ ৪:৩৯ অপরাহ্ণ

ডেস্ক রিপোর্ট: ময়মনসিংহের ভালুকায় সরকারি বনভূমি ব্যক্তির নামে ডিমার্গেশন করে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বন বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে। ওই বনভূমি উপজেলার জামিরদিয়া আরিফের ৭ নং গেইট এলাকায়। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ভালুকা রেঞ্জের হবিরবাড়ী বিটের আওতাধীন জামিরদিয়া মৌজার সিএস ৬৭নং দাগে মোট ভূমির পরিমাণ ৪৫.৮৮ একর। এর মধ্যে রেকর্ডীয় ১২.৫৯ একর, বন্দোবস্ত ৩.২৯ একর এবং বনভূমি রয়েছে ৩০ একর। ২০১০ সালে বন বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে ওই ডিমার্গেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করে।

কিন্তু সম্প্রতি সেই ডিমার্গেশন বাতিল করে নতুন করে আব্দুল গাফফার চৌধুরী নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তির নামে বনভূমির অংশ ডিমার্গেশনের জন্য সরেজমিনে উপজেলা ভূমি অফিস মাপজোক সম্পন্ন করেছে। অভিযোগ উঠেছে, মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে প্রভাবশালী মহলের যোগসাজশে পুরো প্রক্রিয়াটি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, আব্দুল গাফফার চৌধুরী পূর্বে ওই এলাকায় একাধিক দাগের প্রায় ১২ একর বনভূমি জবরদখল করে উঁচু সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেছিলেন। পরে বনবিভাগ মামলা দায়ের করে ২০২১ সালে ৫ অক্টোবর স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগীতায় তৎকালীন সহকারী বন সংরক্ষক আবু ইউসুফ ও ভালুকা রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দীনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে সীমানা প্রাচীর ভেঙে ৩০ কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ৫ একর বনভূমি উদ্ধার করেন। প্রশ্ন উঠেছে—যে ভূমি সরকারি বনভূমি হিসেবে উদ্ধার হলো, সেটিই আবার কীভাবে তার নামে ডিমার্গেশন করার প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে।

এ বিষয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ, বনবিভাগ যদি এই ডিমার্গেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করে, তবে প্রকৃত মালিকরা যাদের সিএস ও আরএস রেকর্ড রয়েছে, তারা বিপদে পড়বেন।

ভালুকা উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার সাইদুল ইসলাম জানান, মাপজোক কারার সময় বনবিভাগের প্রতিনিধি রিপন আমিন নামে একজন উপস্থিত ছিলেন, ডিমার্গেশনের বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন তিনি।

এ বিষয়ে অভিযোগ অস্বীকার করেন ভালুকা রেঞ্জ কর্মকর্তা হারুন অর রশীদ খান। তিনি জানান, মাপজোক কারার সময় বনবিভাগের কোন কর্মকর্তা, কর্মচারী বা বনবিভাগের কোন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিল না। আর এসিল্যান্ড (ভূমি) অফিস একা ডিমার্গেশন দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন না।

এ বিষয়ে ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে একাধিকবার মুঠোফোনে ফোন করার পরও তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি। তাই এ বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

সর্বশেষ - বিভাগীয় খবর

আপনার জন্য নির্বাচিত

ভালুকায় এইচবিবিকরণ রাস্তার উদ্বোধন

নজরুল জয়ন্তী কবি সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ভালুকায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন

ভালুকায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রচার মাইক ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় মামলা

রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতে ৩১ দফা বাস্তবায়নে ভালুকায় বি এন পির মতবিনিময় সভা

চবি ল্যাবরেটরি স্কুলে নিয়োগে স্বজনপ্রীতি ও প্রশাসনিক প্রভাবের অভিযোগ: স্বচ্ছতার সংকট

জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক ভালুকার কৃতি সন্তান সুলতানা রাজিয়া

ভালুকায় বিএনপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল

ভালুকায় বাস থামিয়ে এক কিশোরীর মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করে তার কথা শুনলেন তারেক রহমান—মূহুর্তেই ভাইরাল

ভালুকায় বেসরকারী শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকুরি জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান